শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঃ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের শিক্ষার্থী এহসান রফিককে চোখের উন্নত চিকিৎসা করাতে ভারতে নেওয়া হয়েছে। চেন্নাইয়ের শঙ্কর নেত্রালয় চিকিৎসালয়ে তাঁর চোখের চিকিৎসা করানো হবে।
এহসানের বাবা রফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ থেকে তাঁকে নিয়ে রওনা হন। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামে তাঁদের বাড়ি। রফিকুল ইসলাম কালীগঞ্জ শহীদ নুর আলী কলেজে শিক্ষকতা করেন ।
ভারতে যাওয়ার পথে রফিকুল ইসলাম জানান, ছেলের চোখের চিকিৎসা দ্রুত করানো প্রয়োজন ছিল। কিন্তু পাসপোর্ট আর ভিসা পেতে কিছুটা দেরি হয়েছে। চিকিৎসার সব খরচ নিজেই বহন করছেন। তিনি বলেন, এহসান এখনো চোখে ঠিকমতো দেখতে পারেন না। আলোর দিকে তাকাতে পারেন না। সমস্ত শরীরে এখনো ব্যথা আছে। মাথায় আঘাতের কারণে ঠিকমতো মাথা উঁচু করে বসতে পারছেন না।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা থেকে পরদিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এহসানকে তিন দফা পেটান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এতে একটি চোখ মারাত্মক জখম হয়। তাঁর কপাল ও নাক ফেটে রক্ত বের হয়। ওই রাতে ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি তাহসান আহমেদের কক্ষে তাঁকে আটকে রাখা হয়।